Saturday, May 17, 2014

আউটসোর্সিং এর কাজ শেখার বই


আউটসোর্সিং 2 : কাজ শিখবেন যেভাবে
-মো. আমিনুর রহমান

এবারের বই মেলায় তাম্রলিপির স্টলে এবং http://rokomari.com/book/76309 -এ পাওয়া যাচ্ছে বইটি। For home delivery call-  015 1952 1971.


ফ্লাপে লেখা কথা
‘আউটসোর্সিং : শুরুটা যেভাবে এবং শুরু করার পর’নামে গত বইমেলাতে আমার একটি বই বের হয়েছিল। বইটি ছিল আউটসোর্সিং শুরু করতে হবে কীভাবে তার উপর। বইটি পড়ে অনেক পাঠক অনুরোধ করেছে কাজ শিখতে হবে কীভাবে তার উপর আরেকটি বই লেখার জন্য। তাদের কথা মাথায় রেখেই এই বইটি লেখা হয়েছে।বইটিতে আছে:

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখবেন কীভাবে?
গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখবেন কীভাবে?
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শিখবেন কীভাবে?
সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং শিখবেন কীভাবে?
অ্যাফেলিয়েট মার্কেটিং শিখবেন কীভাবে?
ইমেইল মার্কেটিং শিখবেন কীভাবে?
আর্টিকেল রাইটিং শুরু করবেন কীভাবে?
ডেটা এন্ট্রি শিখবেন কীভাবে?
গুগল এ্যাডসেন্স শিখবেন কীভাবে?
গুগল এ্যাডসেন্স থেকে মাসে হাজার ডলার আয় করা যায় কীভাবে?
সফল ফ্রিল্যন্সার হওয়া যায় কীভাবে?
ছাত্রছাত্রীদের জন্য আউটসোর্সিংয়ের প্রয়োজনীয়তা কতটুকু?
এছাড়াও বইটিতে রয়েছে একজন সফল উদ্যেক্তার সাক্ষাৎকার এবং কয়েকজন ফ্রিল্যান্সারের সফলতার গল্প।

ভূমিকা
‘অনেক দিন আগেই আমি ওডেস্কে একটা অ্যাকাউন্ট খুলেছি। কিন্তু জবে টবে অ্যাপ্লাই কারার সাহস পাইনা। যদি কাজটা ভালভাবে করতে না পারি তাহলে তো বায়ার আমাকে বাজে ফিডব্যাক দিবে। আগে কাজ ভালো ভাবে শিখবো তারপর জবে অ্যাপ্লাই করবো।’ ‘ইদানিং একটু ব্যস্ত সময় পার করছি, আগে একটু ফ্রি হয়ে নেই তারপর জবে অ্যাপ্লাই করবো।’ এভাবে চিন্তা করে অনেকে জবে অ্যাপ্লাই করেন না। আমার কথা হল আগে আপনি জব পান তারপর চিন্তা করবেন কীভাবে করবেন বা করতে পারবেন কি না। জব পাওয়ার পর যদি আপনি কাজটি করতে না পারেন তাহলে কী হবে? বায়ার আপনার কী করতে পারবে? আপনি যদি জবটি করতে না পারেন তাহলে বায়ার আপনাকে পেমেন্ট দিবে না বা দিলেও তার সাথে একটা বাজে ফিডব্যাক দিবে। বাজে ফিডব্যাক দিলে আপনি বায়ারকে তার পেমেন্ট ফেরত (রিফান্ড) দিয়ে দিবেন। তাহলে আপনার প্রোফাইল থেকে সেই বাজে ফিডব্যাকটি মুছে যাবে। তাহলে আর ভয় কিসের। জবে অ্যাপ্লাই করা শুরু করে দিন। মানুষ কাজ করতে করতেই শিখে। কোন কাজ কীভাবে করবেন তা সবকিছু গুগলে আছে। একবার সার্চ দিয়েই দেখুন।

জব পেতে কত সময় লাগে? অনেকে এক বা দুইটা জবে অ্যাপ্লাই করেই পেয়ে যায় আবার অনেককে বলতে শোনা যায় কয়েক মাস হয়ে গেল এখনো জব পায়নি। আমি মনে করি জব পেতে সর্বোচ্চ এক মাস সময় লাগে। আপনি যদি প্রোফাইলকে ১০০% করেন এবং আইডি ভেরিফিকেশন করেন তাহলে প্রতি সপ্তাহে ২০-২৫ টি জবে অ্যাপ্লাই করতে পারবেন। এক মাসে ১০০ টির মত। ১০০ টি জবে অ্যাপ্লাই করলে আপনি অবশ্যই জব পাবেন। তবে জবে অ্যাপ্লাই করার সময় কভার লেটারটি এমন ভাবে লিখবেন যেন বায়ার বুঝতে পারে আপনি জবটি পড়েছেন এবং কাজটি করতে পারবেন।
-মো. আমিনুর রহমান

সূচিপত্র
১. ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখবেন যেভাবে
২. গ্রাফিক্স ডিজাইন
৩. গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখবেন যেভাবে
৪. সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন
৫. সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং
৬. অ্যাফেলিয়েট মার্কেটিং
৭. ইমেইল মার্কেটিং
৮. আর্টিকেল রাইটিং
৯. আর্টিকেল রাইটিং শুরু করবেন কীভাবে?
১০. ডেটা এন্ট্রি
১১. গুগল এ্যাডসেন্স
১২. গুগল এ্যাডসেন্স থেকে মাসে হাজার ডলার আয় করছি যেভাবে
১৩. ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং : ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য করনীয়
১৪. কীভাবে সফল ফ্রিল্যান্সার হওয়া যায়
১৫. একজন সফল উদ্যোক্তার সাক্ষাৎকার
১৬. অনলাইন আউটসোর্সিং এবং আমার প্রাপ্তি
১৭. একটি বই এবং আমার পথ চলা
১৮. কম্পিউটার দোকানে কাজ করে পকেট খরচ চালাতাম
১৯. আমি আর্টিকেল রাইটিংয়ের কাজ করছি
২০. আমি ডেটা এন্ট্রির কাজ করছি
২১. আমি এ্যাড পোস্টিংয়ের কাজ করছি
২২. লেগে থাকলে সাফল্য আসবেই
২৩. অনুপ্রেরণার আদর্শ : স্টিভ জবস

লেখক পরিচিতি
মো. আমিনুর রহমান। লেখাপড়া করেছেন সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগে। বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয়বর্ষে পড়ার সময় থেকেই প্রথম আলোর কম্পিউটার প্রতিদিন বিভাগে লেখালেখি শুরু করেন, চলছে এখনো। তৃতীয়বর্ষে পড়ার সময় ডাক্তারদের জন্য তৈরি করেন ডক্টর প্রেসক্রিপশন নামের একটি সফ্টওয়্যার। সেটি নিয়ে ১৮-০৭-২০০৮ তারিখ প্রথম আলোর প্রজন্ম ডটকমে এবং ২১-০৭-২০০৮ তারিখ দৈনিক ইনকিলাবে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। কয়েকজন ডাক্তার এখনো এই সফ্টওয়্যারটি ব্যবহার করছেন। চতুর্থবর্ষে পড়ার সময় তৈরি করেন এসএমএসে টিকেট কাটার সফ্টওয়্যার। ২৩-১০-২০০৯ তারিখ প্রথম আলোর প্রজন্ম ডটকমে সেটি নিয়েও প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। তার মাস ছয়েক পর মোবাইল কোম্পানিগুলো এই ধরনের একটি সফ্টওয়্যার তৈরি করে ট্রেনের টিকেট কাটার জন্য ব্যবহার করেন।

গত বইমেলাতে লেখকের প্রথম বই ‘আউটসোর্সিং : শুরুটা যেভাবে এবং শুরু করার পর’ বের হয়। রকমারি.কমে বিক্রির দিক দিয়ে বইটি ২য় অবস্থানে আছে (http://www.rokomari.com/book/61910)। এটি লেখকের দ্বিতীয় বই। অনেকটা শখের বসেই লেখালেখি করেন। পেশায় তিনি একজন ফ্রিল্যান্স ওয়েব প্রোগ্রামার। ভালোবাসেন সমরেশ মজুমদার এবং সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের বই পড়তে, সিনেমা দেখতে, আনিসুল হকের লেখা নাটক দেখতে এবং মুহম্মদ জাফর ইকবালের লেখা কলাম পড়তে।

লেখকের ইমেইল এবং ফেসবুক আইডি: aminurrahmansust@facebook.com
বইয়ের ফেসবুক পেইজ: https://www.facebook.com/outsourcing2

আউটসোর্সিং : নতুনদের কাজ পাওয়ার কিছু টিপস

আউটসোর্সিংয়ের কাজ করেন এমন অনেকেই আছেন, যাঁরা ওডেস্ক ডট কমে চার-পাঁচটা কাজের আবেদন করেই কাজ (জব) পেয়ে যায়। আবার কেউ কেউ ১০০টা আবেদন করেও কাজ পান না। এটা অনেকটা নির্ভর করে আপনি কত কম পারিশ্রমিকে (ডলার) আবেদন করেছেন, তার ওপর। নতুন যাঁরা ওডেস্কের মাধ্যমে কোম্পানি হিসেবে আউটসোর্সিংয়ের কাজ করছেন বা করতে চান, তাঁদের জন্য কিছু পরামর্শ দেওয়া হলো নিচে—
১. যেসব কাজদাতা বা বায়ারের লেনদেন পদ্ধতি পরীক্ষিত (পেমেন্ট মেথড ভেরিফায়েড) হয় না, সেসব বায়ারের জবে আবেদন করবেন না। কারণ, কোনো কনট্রাকটরকে কাজ দিতে গেলে বায়ারের লেনদেন পদ্ধতি পরীক্ষিত থাকতে হয়।
২. কোনো একটা কাজ প্রকাশ (জব পোস্ট) করার পর যত তাড়াতাড়ি সেটিতে আবেদন করবেন ততই ভালো।
৩. আপনি যত বেশি সময় অনলাইনে (ওডেস্কে) থাকবেন, ততই আপনার কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কারণ, কিছু কিছু জব আছে যেগুলো প্রকাশ করার সঙ্গে সঙ্গে মানে এক দুই ঘণ্টার মধ্যেই করে জমা দিতে হয়। যেমন ফেসবুকে বা অন্য কোনো সাইটে ভোট দেওয়া এবং কিছু ভোট সংগ্রহ করে দেওয়া বা হঠাৎ করে কোন ওয়েবসাইটে সমস্যা হয়েছে, তা ঠিক করে দেওয়া ইত্যাদি। কাজেই শুরুতে বেশি সময় অনলাইনে থাকার চেষ্টা করুন, যাতে বায়ার আপনাকে কোনো মেসেজ দিলে সঙ্গে সঙ্গে তার রিপ্লাই দিতে পারেন। তাহলে বায়ার বুঝতে পারবে, আপনি কাজের প্রতি কতটা আন্তরিক।
৫. ওডেস্কে দেখবেন, প্রতি মিনিটে নতুন নতুন জব পোস্ট করা হচ্ছে সেগুলোতে আবেদন করুন। যেসব জবে কোনো কনট্রাকটরকে ইন্টারভিউ নেওয়া হয়েছে, সেসব জবে আবেদন না করাই ভালো। নিচের ছবিতে দেখুন, ছবির নিচের অংশে ডান পাশে Interviewing: 1লেখা আছে। অর্থাৎ এই জবে একজন কনট্রাকটরের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে। বায়ার যদি তার পছন্দের কনট্রাকটর পেয়ে যায়, তাহলে আর অন্য কনট্রাকটরদের প্রোফাইল দেখবে না। 
—মো. আমিনুর রহমান

আউটসোর্সিং শুরু করার বই

আউটসোর্সিং : শুরুটা যেভাবে এবং শুরু করার পর
-মো. আমিনুর রহমান

এবারের বই মেলায় তাম্রলিপির স্টলে(১৮১, ১৮২, ১৮৩) and http://rokomari.com/book/61910 -এ পাওয়া যাচ্ছে বইটি
Fro home delivery call (01841 115 115)

Book Summary

গত বছরের শুরুতে ‘আউটসোর্সিং: শুরুটা যেভাবে’ শিরোনামে আমার এই লেখাগুলো প্রথম আলোর কম্পিউটার প্রতিদিন বিভাগে ধারাবাহিক ভাবে ছাপা হয়েছিল। তখন বিপুল পরিমাণ পাঠকের সাড়া পেয়েছিলাম। অনেক পাঠক অনুরোধ করেছিল লেখাগুলো বই আকারে বের করার জন্য। কিন্তু সময় স্বল্পতার জন্য তখন আর বই বের করা হলো না। তারপর থেকেই প্রস্তুতি শুরু। তার সাথে নতুন আরও অনেক কিছু যোগ করে এবং আরও বিস্তারিত ভাবে এই বইটি লেখার চেষ্টা করেছি। এই বইটি পড়ে জানতে পারবেন আউটসোর্সিং শুরু করতে হবে কীভাবে, কোথায় কাজ পাওয়া যাবে, কোন কাজের কী যোগ্যতা লাগে, কীভাবে ওডেস্কে অ্যাকাউন্ট খুলবেন, কীভাবে জবে আবেদন করবেন, ইন্টারভিউ হয় কীভাবে, অর্থ উত্তোলন করবেন কীভাবে, কীভাবে কোম্পানি দিবেন, কোম্পানির পেমেন্ট মেথড ভেরিফাই করবেন, কনট্রাকটরকে হায়ার করবেন কীভাবে, কনট্রাকটরকে পেমেন্ট দিবেন কোথায় থেকে, সমস্যার সমাধান পাবেন কোথায়, সহজে কাজ পাওয়ার কিছু টিপস, ফ্রিল্যান্সিং সাইট চিনবার উপায় এবং কয়েকজন ফ্রিল্যান্সারের সফলতার গল্প।

ভূমিকা

আউটসোর্সিং শব্দটি হয়তো শুনেছেন। আউটসোর্সিং করে অনেকে লাখ লাখ টাকা আয় করে এ কথাও হয়তো শুনেছেন। কিন্তু বিষয়টি কী, কীভাবে, কী করতে হয় এসব কিছুই জানেন না। এ বিষয়ে অভিজ্ঞ কারও কাছে জিজ্ঞেস করলেন, ‘ভাই, আউটসোর্সিং কী জিনিস? এর মাধ্যমে নাকি মাসে হাজার হাজার ডলার ইনকাম করা যায়?’ আপনার সে ভাই উত্তর দিলেন, ‘কেউ কেউ এর চেয়েও বেশি ইনকাম করেন। আপনি কম্পিউটারের কী কী জানেন?’ আপনি উত্তর দিলেন, ‘আমি তেমন কিছুই জানি না। এমএস ওয়ার্ড জানি, ফেসবুকে আমার একটা অ্যাকাউন্ট আছে, কম্পিউটারের প্রাথমিক জ্ঞান আছে এই আর কি?’ আপনার সে ভাই জানালেন, ‘আপনি কি মনে করেছেন ডলার ইনকাম করা এতোই সোজা? এখানে সারা বিশ্বের প্রোগ্রামারদের সাথে কম্পিটিশন দিয়ে জবে বিড করে কাজ পেতে হয়। আপনি যতটা সহজ ভাবছেন ততটা সহজ না।’ এ কথা শুনে আউটসোর্সিংয়ের প্রতি আপনার আগ্রহই নষ্ট হয়ে গেল, স্বপ্নটাও মরে গেল। আপনার ওই ভাই যদিও সত্যি কথাই বলেছেন তবু আপনার প্রশ্নের উত্তর এমনও হতে পারত, ‘আপনি কোনো আউটসোর্সিং সাইটে অ্যাকাউন্ট খুলে দেখতে পারেন। ওখানে ফেসবুকের বেশ কিছু কাজ পাওয়া যায়। যেমন ফেসবুকে অ্যাকাউন্ট খুলে দেওয়া, ফেসবুকের ফ্যান পেইজে লাইক সংগ্রহ করে দেওয়া, ডেটা এন্ট্রিরও অনেক কাজ আছে। আপনি অল্প রেটে আবেদন করলে সহজেই কাজ পেয়ে যেতে পারেন। আপনি হয়তো শুরুতে বেশি ইনকাম করতে পারবেন না, তবে চেষ্টা চালিয়ে গেলে ধীরে ধীরে আপনার ইনকাম বাড়বে। তখন আপনি নিজেই বুঝে যাবেন কীভাবে, কী করতে হবে?’ এ ধরনের উত্তর শুনে আপনি অনেক উৎসাহিত হবেন।

এই বইয়ে আমি যতটুকু সম্ভব আউটসোর্সিং বিষয়টিকে সহজভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছি। বইটি পড়ে যদি পাঠকেরা উপকৃত হয় তাহলেই আমার পরিশ্রম সার্থক হবে।

-মো. আমিনুর রহমান

সূচিপত্র

আউটসোর্সিং
যে ধরনের কাজ পাওয়া যায়
কোন কাজের কী যোগ্যতা?
কাজ পাবেন যেখানে
কীভাবে ওডেস্কে অ্যাকাউন্ট খুলবেন?
কীভাবে জব খুঁজবেন?
কীভাবে জবে আবেদন করবেন?
ইন্টারভিউ নেয় কীভাবে?
কীভাবে জব করবেন?
কীভাবে অর্থ উত্তোলন করবেন?
ওডেস্কে কোম্পানি দেবেন কীভাবে?
কীভাবে কোম্পানির পেমেন্ট মেথড ভেরিফাই করবেন?
কীভাবে জব পোস্ট করবেন?
কনট্রাকটরকে হায়ার করবেন যেভাবে
কনট্রাকটরকে পেমেন্ট দেবেন কোথা থেকে?
সমস্যার সমাধান পাবেন যেখানে
সহজে কাজ পাওয়ার কিছু টিপস
ফ্রিল্যান্সিং সাইট চেনার উপায়
সফলতার গল্প

লেখক পরিচিতি

মো. আমিনুর রহমান। লেখাপড়া করেছেন সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগে। বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয়বর্ষে পড়ার সময় থেকেই প্রথম আলোর কম্পিউটার প্রতিদিন বিভাগে লেখালেখি শুরু করেন, চলছে এখনো। তৃতীয়বর্ষে পড়ার সময় ডাক্তারদের জন্য তৈরি করেন ডক্টর প্রেসক্রিপশন নামের একটি সফ্টওয়্যার। সেটি নিয়ে ১৮-০৭-২০০৮ তারিখ প্রথম আলোর প্রজন্ম ডটকমে এবং ২১-০৭-২০০৮ তারিখ দৈনিক ইনকিলাবে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। কয়েকজন ডাক্তার এখনো এই সফ্টওয়্যারটি ব্যবহার করছেন। চতুর্থবর্ষে পড়ার সময় তৈরি করেন এসএমএসে টিকেট কাটার সফ্টওয়্যার। ২৩-১০-২০০৯ তারিখ প্রথম আলোর প্রজন্ম ডটকমে সেটি নিয়েও প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। তার মাস ছয়েক পর মোবাইল কোম্পানিগুলো এই ধরনের একটি সফ্টওয়্যার তৈরি করে ট্রেনের টিকেট কাটার জন্য ব্যবহার করেন।

গত বছরের শুরুতে ‘আউটসোর্সিং: শুরুটা যেভাবে’ শিরোনামে লেখকের এই লেখাগুলো প্রথম আলোর কম্পিউটার প্রতিদিন বিভাগে ধারাবাহিক ভাবে ছাপা হয়েছিল। অনেকটা শখের বসেই লেখালেখি করেন। পেশা তাঁর আউটসোর্সিং। ভালোবাসেন সমরেশ মজুমদার এবং সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের বই পড়তে, সিনেমা দেখতে, আনিসুল হকের লেখা নাটক দেখতে এবং মুহম্মদ জাফর ইকবালের লেখা কলাম পড়তে।